স্বচ্ছ বার্তা,দিলীপ বিশ্বাসের প্রতিবেদন, বারাসাত, ৩০ নভেম্বর। উপলক্ষ্য ছিল নবান্ন উৎসব উৎযাপন; সঙ্গে কৃষিতে লক্ষ্মীলাভ বিষয়ক আলোচনা, ধান্যলক্ষ্মীর কথা। বাংলার কৃষিক্ষেত্রগুলিতে সনাতনী সংস্কৃতির ছোঁয়া যাতে অবলুপ্ত না হয়ে যায়, তার সচেতন বার্তা মাতৃশক্তির কাছে দেওয়াই ছিল লক্ষ্য। এদিন দ্বিপ্রহরে প্রণব কন্যা সঙ্ঘের মেয়েদের শ্রীলক্ষ্মী-জ্ঞানে পরিবেশিত হয় নানাবিধ সুখাদ্য। 'দেশের মাটি কল্যাণ মন্দির' এদিন এই নবান্ন উৎসবের আয়োজন করেছিল হৃদয়পুরে অবস্থিত প্রণব কন্যা সঙ্ঘের মন্দির অভ্যন্তরে। প্রায় ৪০ জন আশ্রমিক, তার সঙ্গে আরও ৪০ জন আশ্রম কর্মী, শিক্ষিকা, সন্ন্যাসিনী ও ব্রহ্মচারী ও ভক্তমণ্ডলীসহ, দেশের মাটি সংগঠনের সদস্য মিলে মোট ৮০ জন একত্রে গ্রহণ করলেন এই প্রীতিভোজ। এই অবকাশে আয়োজিত হয় একটি সঙ্গীত উপস্থাপনা। আশ্রম বালিকাবৃন্দ সমবেতভাবে বৈদিক মন্ত্রপাঠ করে, সমবেত সঙ্গীত পরিবেশনও করে অনুষ্ঠানটিকে মনোজ্ঞ করে তোলে। সভায় আশীর্বাণী দেন সঙ্ঘের সন্ন্যাসিনী শ্রদ্ধেয়া আত্মস্থানন্দময়ী মাতাজী। নবান্নের তাৎপর্য বুঝিয়ে বলেন মহিষাদল গার্লস কলেজের ভূতপূর্ব অধ্যক্ষ ড. উৎপল উত্থাসনী। উপস্থিত ছিলেন কৃষি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. কল্যাণ চক্রবর্তী। আইআইটি, খড়গপুরের পূর্বতন অধ্যাপক ড. গৌতম কুণ্ডু এবং দেশের মাটির কয়েকজন কার্যকর্তা। সঙ্গীত পরিবেশন করেন শ্রীমতী রূপালী বর্মন।
এদিনের অনুষ্ঠান সম্পর্কে পরে 'দেশের মাটি'-র সম্পাদক মিলন খামারিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অনুষ্ঠানের শুরুতে অস্মিতা চক্রবর্তী সম্পাদিত *'কৃষি-কল্যাণ কথা'* গ্রন্থখানি স্বামী প্রণবানন্দজী মহারাজের চরণকমলে অর্পিত হয়েছে। গ্রন্থটিতে রয়েছে *ড. কল্যাণ চক্রবর্তী লিখিত কৃষি বিষয়ক প্রবন্ধাবলী* । এটি হচ্ছে তার প্রথম খণ্ড। বইটি বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ দেশের মাটি কল্যাণ মন্দিরের সেবাকাজে ব্যবহৃত হবে। তিনি বইটির বহুল প্রচার কামনা করছেন। দেশের মাটির কার্যালয় থেকে বইটি সংগ্রহ করা যাবে।
Comments
Post a Comment